Wednesday, June 10, 2015

এ এক লজ্জার বয়ান: মশিউর কি বাঁচবে?

‘প্রতিদিন যতগুলো সিগারেট খাচ্ছেন তার একটির দাম অন্তত এই ছেলেটি বাঁচাতে দিন’ 


সরকারী বিএম কলেজ শিক্ষা রাজনীতি আর সংস্কৃতিতে হেভিওয়েট প্রতিষ্ঠান বলে জনশ্রুতি আছে। তা বেশ আরামের সংবাদ, কারন ওটি আমারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু কতটা উচ্চ মানসিকতার সে নিয়ে প্রশ্ন আছে আমার। প্রায়ই দেখা যায় কয়েকজন ছাত্র বা ছাত্রী রাস্তার মাঝে বাক্স পেতে বন্ধুর জন্য চাঁদা তুলছে। এটিও ভালো কথা। আজও দেখলাম এই অবস্থা। ব্যানারে লেখা ‘আমি বাঁচতে চাই, আমাকে বাঁচান’।

Thursday, June 4, 2015

‘ইঁদুর’ একটি আন্দোলন



মু হা ম্ম দ  মা মু ন  ফ রা জী


সমাজের ভিতর স্বর্গ ও উপসর্গ উভয়ই মানুষকে নিয়ে খেলা করে। আদম-হাওয়ার গন্দম খাওয়ার মত নিরঙ্কুশ ঈশ্বরের সাপলুডু খেলা বলা চলে। খেলায় কখনো ছক্কা পরে, কখনো পুট বা কানা অর্থাৎ ১’র দানও পরে। আমরা যদিও চাই বার বার ছক্কার দান ফেলতে, কিন্ত ঐ দান ফেলতে পারাটা হয়ে ওঠে ক’জনের? এই প্রশ্ন ও কি কি সমস্যায় সমাজ জীবনের শেকর বাকর বিকলাঙ্গ সেটা নিয়ে হরদম আলোচনা দেখি চায়ের টেবিলে, পেপার-পত্রিকায় এমনকি মন্ত্রী পরিষদও বাদ পরে না। সমস্যার কারন অনেকই রয়েছে যদিও ওদিকে দৃষ্টিপাত আমাদের নেই।

Sunday, May 31, 2015

ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলো বহুজাতিক কোম্পানীর পকেটে

 সৈ য় দ  মে হে দী  হা সা ন

১.
দুই বন্ধু ১০ টাকা দিয়ে এক প্যাকেট বাতাস কিনল। প্যাকেট ছিড়েতো অবাক; ওমা... বাতাসের প্যাকেটে দেখি চিপস আছে।
বন্ধ দু’জন বিএম কলেজে ঢুকেছে। মোবাইল ফোন কোম্পানী রবি’র বিশাল সাইনবোর্ড দেখে প্রশান্তিতে আটখানা। প্রথম বন্ধু দ্বিতীয় বন্ধুকে বলল, মুদি দোকান একটা পেয়েছি। চল কিছু খাই। দুই বন্ধু থ। কাছে এগিয়ে গিয়েই শোনে গানের শব্দ ভেসে আসছে। এবার দ্বিতীয় বন্ধু প্রথম বন্ধুকে অবাক হয়ে বলে, ওমা... মুদি দোকানে আজকাল গান-বাজনা শিখায়? তবে দুই বন্ধুরই ভুল ভাঙ্গে এবং যথারীতি লজ্জা পায় যখন দেখে মুদি দোকানে রূপ নেয়া ঘরটি আসলে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। বিএম কলেজ ভিত্তিক, নাম ‘সংস্কৃতি পরিষদ’। দু’জন চিন্তায় পড়ে, সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রটি কেন মুদি দোকানের মত

Saturday, May 30, 2015

বৌ-ছি খেলায় প্রতিবাদের ভাষা ও স্বরুপ বিশ্লেষণ





সৈ য় দ  মে হে দী  হা সা ন


গল্পটা এরকম যে, এমন একটা সময় ছিল বৌ-ছি খেলা ছাড়া ভাল লাগতো না। ফুসরতে ৮/১০ জন মিলে গেলেই উঠানে, অফসলী জমিতে, মাঠে জমে উঠতো খেলাটি। বৌ-ছি যে এখন খেলছে না কেউ, তা কিন্তু নয়। তবে তুলনামুলক আলোচনায় বিলুপ্ত প্রায়। কালে ভদ্রে হয়তো কোথাও জমে ওঠে। আমরা এটুকু নিশ্চিত যে, প্রতিটি উপকরণের উপযোগীতা রয়েছে। আছে প্রয়োজনীয়তা এবং সু-সময়। সে হিসেবে বৌ-ছি খেলার উপযোগিতাটা আসলে কোন স্তরে? নতুবা বৌ-ছি খেলার মোক্ষম কি হাতিয়ার যা পাড়া-মহল্লা-অনুর্বর জমি মাতিয়ে রয়েছে। অঙ্গা-অঙ্গি হয়ে গেছে বাঙালী কৃষ্টি ও সংবেদনশীলতায়। গ্রাম-বাংলার